সব সময় সব খানে


শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬

১৫ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
১৫ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : নীলফামারী

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হারিয়ে যাচ্ছে কুয়া।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হারিয়ে যাচ্ছে কুয়া।

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হারিয়ে যাচ্ছে কুয়া।


মোঃ গোলাম রব্বানী( নীলফামারী )

eshomoy.com || 2024-05-27 11:55 AM
গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হারিয়ে যাচ্ছে কুয়া।

 পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। মানুষ বিভিন্ন কাজে পানি ব্যবহার করে। পানি রান্নার কাজে ব্যবহার হয়। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং ধোয়া-মোছার কাজে পানি ব্যবহার করা হয়। ফসল ফলাতে, মৎস খামারে এবং কলকারখানায় পানির ব্যবহার হয়। প্রতিটি খাদ্য তৈরীতে পানির প্রয়োজন। আর এ খাদ্য তৈরীতে দরকার আর্সেনিকমুক্ত পানি। এমনকি তৃষ্ণা মিটাতে দরকার সচ্ছ পানি। সচ্ছ পানির কয়েকটি উৎসের মধ্যে একটি হলো কূপ বা কুয়া। আজ থেকে ৩৫বছর আগে গ্রাম বাংলার প্রতিটি স্থানে পানির জন্য কূপ বা কুয়া ছিল। মানুষ কুয়ার পানি ব্যবহার করত। কুয়ার পানি দিয়ে মানুষ তৃষ্ণা মিটাতো। এ পানি দিয়ে রান্না-বান্নার কাজ চালাতো। কিন্তু গ্রাম বাংলার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী কুয়াগুলো কালের আবর্তে হারিয়ে যাচ্ছে। এখন আর বাড়ি বাড়ি কুয়া দেখতে পাওয়া যায়না। কিছুদিন আগে যে বাড়িতে কুয়া ছিল সেখানে টিউবওয়েল রয়েছে। এখন প্রতিটি বাড়িতে কুয়ার বদলে টিউবওয়েল পাওয়া যায়। আবার অনেক বাড়িতে বৈদ্যুতিক মিশিন দিয়ে পানি তুলা হয়। এক সময় গ্রামের বেশিরভাগ বাড়িতেই খড়ের ঘর থাকত। গরমের দিনে এইসব খড়ের ঘর অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা ছিল। শীতকালে এই ঘরগুলো টিনের ঘরের চাইতে কম ঠান্ডা ছিল। বর্তমানে বেশীর ভাগ বাড়িতে খড়ের বদলে জায়গা দখল করেছে চকচকে টিনের ঘর অথবা ইট সিমেন্টের বাড়ি। এখনকার জেনারেশনের কল্যাণে (বিদেশে পাড়ি দেওয়ার কারণে) স্বস্তি বেড়েছে হয়তো সুখও বেড়েছে। কিন্তু হারিয়ে গেছে প্রাচীন ঐতিহ্য। আগে বিকেল বেলা গ্রাম বাংলার প্রতিটি মা-বোনেরা সন্ধ্যা বেলায় কলশী নিয়ে কুয়া থেকে পানি আনত। এখন আর সে চিত্র দেখা যায়না। তথ্যপ্রযুক্তির যুগে বর্তমানে মানুষ অনেক দূর এগিয়েছে। শহর অঞ্চলে এখন টিউবওয়েল পাওয়া যায় না। সব জায়গাতেই বৈদ্যুতিক মিশিন দিয়ে পানি তুলা হয়। তবে গ্রামঅঞ্চলের কিছু এলাকায় কুয়ার দেখা পাওয়া যায়। নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ, ডোমার, ডিমলা, সৈয়দপুর, জলঢাকা, নীলফামারী সদর উপজেলায় কিছু জায়গায় কুয়া দেখতে পাওয়া যায়। যদিও সেগুলো এখন আর আগের মতো ব্যবহার হয় না। ডোমার হরিনচওড়া ইউনিয়নে দেখা মিলে বাগানে গেলে একটি কুয়ার দেখা পাওয়া যায়। সেখানে কুয়াটি অরক্ষিত অবস্থায় পড়ে আছে। বাগানে পানি দেওয়ার জন্য এই কুয়া করা হতো। অনেকে আবার দুুপুরের খাবারের সময় এ কুয়ার পানি ব্যবহার করে থাকে। সাজ্জাদ নামের বাগানের এক শ্রমিকের সাথে দেখা হলে তিনি বলেন, কুয়াটি আমার জন্মের পর থেকে দেখতেছি। বাবা বাগানে পানি ব‍্যবহার করতো আমি এখানে কাজ করি। যারা চারা তুলে তারা এ কুয়ার পানি খায়।পাশাপাশি বস্তির মানুষও এ কুয়ার পানি খায়।