সব সময় সব খানে


বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬

১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> শিক্ষকদের সম্মিলিত স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ চার দফা দাবিতে রংপুরে ৩০ নভেম্বর অর্ধদিবস হরতাল

>> হাতিয়া বুড়িরচর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী ওলামাদলের কেন্দ্রীয় নেতা ফারুক আল ফাহাদ

আপনি পড়ছেন : খুলনা

বিষাক্ত খাবার খেয়ে শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু


স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা

eshomoy.com || 2024-11-16
বিষাক্ত খাবার খেয়ে শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু

খুলনায় বিষাক্ত খাবার খেয়ে ভাই-বোনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৩ নভেম্বর) খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশু হলো, রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা এলাকার শারীরিক প্রতিবন্ধী মাসুদ রানার শিশুকন্যা ইরানী (৫) ও ছেলে মো. আব্দুল গনি (৪)।


নিহত দুই শিশুর বাবা মাসুদ রানা স্থানীয় বাজারের মুদি দোকানদার। মা নার্গিস বেগম বাড়ি বাড়ি কাজ করেন। ওই দম্পতির মাছুরা নামের ৮ বছর বয়সী আরেক কন্যাসন্তান রয়েছে। একসঙ্গে দুই সন্তানের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা-মা। জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে মাসুদ রানার দুই সন্তান বাজার থেকে কেনা খোলা মোয়া ও আপেল খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ৩টার দিকে দুজনই অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরদিন বুধবার সকালে তাদের খুলনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।


অবস্থা গুরুতর হওয়ায় এরপর তাদের নেওয়া হয় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেয়ে ইরানী ও সন্ধ্যায় ছেলে আব্দুল গনি মারা যায়।


রূপসা থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, রাতে মাসুদ রানা কিছু ফল কিনে নিয়ে বাড়িতে যান। শিশু দুটি খাবার খাওয়ার পর আপেল খায়। এর কিছুক্ষণ পর তারা দুজন অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে তাদের নেওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য তাদের দুজনকে প্রথমে খুলনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।


এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযাগ জানাতে আসেননি। অভিযোগ দায়ের করলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।


খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, দুই শিশুর মরদেহ ময়নতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।