সব সময় সব খানে


শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
শনিবার, সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> সবুজ সরদারকে 'যুবদলের সাধারণ সম্পাদক' হিসেবে দেখতে চায় যুবসমাজ

>> নিলক্ষিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অফিস ফাঁকির অভিযোগ, হাজিরা খাতায় নেই স্বাক্ষর

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়লো আরও ২ দিন

>> ফরিদপুরের ভাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ

>> বিদ্যুৎ গ্রাহকদের অধিকার রক্ষায় জাতীয় কমিটি’ গঠন: আহবায়ক এড.ইসমাইল ও সদস্য সচিব এড.পলাশ কান্তি নাগ

>> হাতিয়ায় ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১

>> সিজারিয়ানে হেলথ কেয়ার হাসপাতালে প্রসূতির মৃত্যু, দুই সপ্তাহেও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেই

>> পাটগ্রাম সীমান্তে ৬১ বিজিবির অভিযানে ইউরিয়া সার ও ভারতীয় গরু আটক

আপনি পড়ছেন : খুলনা

বিষাক্ত খাবার খেয়ে শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু


স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা

eshomoy.com || 2024-11-16
বিষাক্ত খাবার খেয়ে শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু

খুলনায় বিষাক্ত খাবার খেয়ে ভাই-বোনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১৩ নভেম্বর) খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশু হলো, রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা এলাকার শারীরিক প্রতিবন্ধী মাসুদ রানার শিশুকন্যা ইরানী (৫) ও ছেলে মো. আব্দুল গনি (৪)।


নিহত দুই শিশুর বাবা মাসুদ রানা স্থানীয় বাজারের মুদি দোকানদার। মা নার্গিস বেগম বাড়ি বাড়ি কাজ করেন। ওই দম্পতির মাছুরা নামের ৮ বছর বয়সী আরেক কন্যাসন্তান রয়েছে। একসঙ্গে দুই সন্তানের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা-মা। জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে মাসুদ রানার দুই সন্তান বাজার থেকে কেনা খোলা মোয়া ও আপেল খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত ৩টার দিকে দুজনই অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরদিন বুধবার সকালে তাদের খুলনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন স্বজনরা।


অবস্থা গুরুতর হওয়ায় এরপর তাদের নেওয়া হয় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেয়ে ইরানী ও সন্ধ্যায় ছেলে আব্দুল গনি মারা যায়।


রূপসা থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, রাতে মাসুদ রানা কিছু ফল কিনে নিয়ে বাড়িতে যান। শিশু দুটি খাবার খাওয়ার পর আপেল খায়। এর কিছুক্ষণ পর তারা দুজন অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় চিকিৎসা কেন্দ্রে তাদের নেওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসার জন্য তাদের দুজনকে প্রথমে খুলনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।


এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেউ থানায় অভিযাগ জানাতে আসেননি। অভিযোগ দায়ের করলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।


খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার বলেন, দুই শিশুর মরদেহ ময়নতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।