বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম সেরা নায়ক মান্না ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। তাকে সমাধিস্থ করা হয় তার নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায়। সেখানেই ১৪ বছর থেকে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন মান্না। তার কবর সংস্কার নিয়ে নানা জটিলতা ছিল। সেই জটিলতা কাটিয়ে সংস্কার করা হয় নায়ক মান্নার কবর।
এ বিষয়ে মান্নার স্ত্রী শেলী মান্না বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে কবরটির সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। তার বড় কারণ, এটি পারিবারিক কবরস্থান। অনেকের সিদ্ধান্তের ব্যাপার ছিল। এর আগে আমরা মান্নার কবর সংস্কার করেছিলাম। নিচু জায়গা হওয়ায় কবরে মাটি ফেলতে হয়েছে। এ ছাড়া মান্নার চাচা প্রবাসী হওয়ায় তারও আসার একটা ব্যাপার ছিল। উনি আসার পর আবারও মাটি ফেলেন। অবশেষে মান্নার চাচার পারমিশন পাওয়ায় আমরা কবরটি সংস্কার করলাম।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনেকের আক্রমণাত্মক কথার বিষয়ে মান্নার স্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের মতো করে কবরটি সংস্কার করতে চেয়েছিলাম। অবশেষে আমরা অনেক বাধা অতিক্রম করে সংস্কার করতে পেরেছি। তবে সমস্যা একটা এখনো রয়ে গেছে। সমাধিস্থলের সামনে প্রাচীর দেওয়ার কারণে ভক্তদের কবর দেখতে ও জিয়ারত করতে অনেকটা ঝামেলা হবে। এমনকি তারা ভেতরে যাওয়ার অনুমতি না পেলে দেখতে পারবেন না। তাই মান্নার চাচার প্রতি আমার অনুরোধ, প্রাচীরটা খুলে দিয়ে ভক্তদের সহজে দেখার ব্যবস্থা করে দিতেন।’
প্রয়াত নায়ক মান্নার আজ ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া চেয়েছেন অভিনেতার স্ত্রী। দুই যুগের দাপুটে অভিনেতা মৃত্যুর আগপর্যন্ত ছিলেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে।