সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : বিনোদন

ঢাকেশ্বরীতে অনেকের চোখেমুখে সংশয় ছিল, আমিই কি পূজা চেরী’


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-10-02
ঢাকেশ্বরীতে অনেকের চোখেমুখে সংশয় ছিল, আমিই কি পূজা চেরী’
ছবি: সংগৃহীত

এবারের দুর্গোৎসব ঢাকায় উদযাপন করেছেন হালের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পূজা চেরী। ঘুরে বেড়িয়েছেন জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরীসহ বিভিন্ন মন্ডপে। 


এরপর গণমাধ্যমে পূজা চেরী বলেন, এবারের উৎসব ঢাকায় কাটলো। আমার পূজার আনন্দ অবশ্য শুরু হয়েছিল অষ্টমী থেকেই। ওই দিন ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়েছিলাম। লাল-সাদা শাড়িতে, মণ্ডপের পরিবেশে সবার সঙ্গে আনন্দময় সময় কেটেছে। আমার আনন্দের সময়গুলো সবার সঙ্গে ভাগাভাগি করি। মণ্ডপের ছবি সামাজিক মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করেছি।

ভক্তদের নানা রকম প্রতিক্রিয়া পেয়েছেন জানিয়ে পূজা বলেন, মণ্ডপে গিয়ে একটা অন্য রকম অনুভূতি হয়েছিল। কেউ সেলফি তুলতে এগিয়ে এসেছেন, আবার কেউ দূর থেকে শুধু তাকিয়ে ছিলেন। অনেকের চোখেমুখে একটা সংশয় ছিল, আমি আসলেই কি পূজা চেরী!

ঢাকেশ্বরীর এসব ঘটনা দারুণ উপভোগ করেছেন তরুণ অভিনেত্রী। বলেন, পুরো বিষয়টি আমার খুব ভালো লেগেছে। আজ বিজয়া দশমীতে রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে যাওয়ার ইচ্ছা রয়েছে। পূজার সময় মাকে খুব মিস করছি। তিনি বেঁচে নেই। মা থাকলে পূজায় অন্য রকম আনন্দ হতো।

খুলনার মেয়ে পূজা চেরী। তিনি বলেন, আমার গ্রামের বাড়ি খুলনায় হলেও বেড়ে উঠেছি হাজারীবাগে। ধুলোমাখা শৈশবের দিনগুলো ওই মাটিতেই কেটেছে। নানা রকম পোশাক পরে বের হতাম। নানা রকম উপহার পেতাম। উপহার পেয়ে মনটা আনন্দে ভরে যেত। ছোটবেলা তাঁতীবাজার, শাঁখারীবাজারসহ পুরান ঢাকার অনেক মন্দিরে ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরতাম। আত্মীয়স্বজন বাসায় আসতেন। পথে পথে হরেক রকম মুখরোচক খাবার খেতাম। বাসায় এসে মায়ের হাতের সুস্বাদু খাবার খেয়ে তৃপ্তি পেতাম। সেই সময়গুলো খুব মিস করি।