শেরপুরে নকলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন ছাত্রলীগ নেতা তরুণ সমাজ সেবক আবু হামযা কনক।
গত মঙ্গলবার (২১ মে) অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় ধাপের উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। বিজয়ী হয়েই বুধবার, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আবারও ফিরে যায় সেই পূর্বের ন্যায় গরীব ও অসহায় কৃষকদের ধান কাঁটতে। যারা অর্থের অভাবে ধান কাঁটতে পারে না এমন সংবাদ পেলেও ছাত্র লীগের কর্মী বাহিনী নিয়ে কাস্তে হাতে মাঠে নেমে পড়েন ভাইস চেয়ারম্যান আবু হামযা কনক। উপজেলার হুজুরীকান্দা ও চরমধূয়া গ্রামের তিন কৃষকের ৬০ শতক জমির ধান কাটেন এবং আটি বেঁধে বাড়িতে পৌছে দেন। আজও সকাল থেকে মাঠে নেমে পড়েছেন ধান কাটতে।
করোনার মহামারির সময় যখন মানুষ শ্রমিক সংকটে ক্ষেতে ধান কেঁটে আনতে পারছিল না, তখন কনক ছাত্রলীগের অন্যান নেতা ও কর্মীদের নিয়ে পাশে দাঁড়ায় ওইসব কৃষকদের। ধান কাঁটা থেকে শুরু করে আটি বেঁধে মাথায় করে এনে দেয় কৃষকদের বাড়িতে। মানুষের কাছাকাছি ও ভালবাসার শুরুটা ছিল এমনই। শুধু তাই নয় অসহায়দের বাড়ি বাড়ি খাবার পৌছে দেওয়া ও মাস্ক বিতরণসহসচেতনতা সৃষ্টি করেন মানুষের মধ্যে। তখন থেকেই কনক মানুষের বিশ্বাস ও ভালবাসা পেতে শুরু করে। সেই কনক আজ নকলা উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান।
নকলা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা ছাত্র লীগের আহবায়ক আবু হামযা কনক চশমা প্রতীকে ৩১ হাজার ১৯৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
নবনির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, আমি আজ নকলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি মানুষের ভালবাসার কারনে। আমি জনপ্রতিনিধি হয়েছি জনগনের কারনে এবং জনগনের জন্য। আমি আগে যেমন ছিলাম এখনও ঠিক তেমনই থাকতে চাই। এ বিজয় আমার না, এ বিজয় নকলাবাসাীর, এ বিজয় ছাত্র লীগের। আমি মনেপ্রানে বিশ্বাস করি মানুষকে ভালবাসলে এবং তাদের জন্য কিছু করলে বৃথা যায় না। মানুষ এর প্রতিদান দিয়েছেন এবং আমি পেয়েছি। মহান আল্লাহ তাআলা যেন সারাজীবন এভাবেই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সুযোগ করে।