সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

ঢাকার বাজারে নকল, নিম্নমান ও জাল ওষুধের উপস্থিতি বাড়ছে


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-11-12
ঢাকার বাজারে নকল, নিম্নমান ও জাল ওষুধের উপস্থিতি বাড়ছে
ফাইল ছবি।

রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের বাজারে নকল, নিম্নমান ও জাল ওষুধের উপস্থিতি বাড়ছে। যা জনস্বাস্থ্য ও রোগ নিয়ন্ত্রণে ভয়াবহ হুমকি। সরকারি আইনগুলোর কঠোর বিধান থাকা সত্ত্বেও উৎপাদক, সরবরাহকারী চেইন, ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর তদন্ত, শাসনব্যবস্থা না থাকায় অপরাধীরা অবাধে কাজ করছে। দ্রুত, সমন্বিত ও স্বচ্ছ পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ, চিকিৎসা ব্যর্থতা ও মানুষের মৃত্যু বাড়বে।


যে ধরনের নকল ও নিম্নমান ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে:

সুপরিচিত ব্র্যান্ডের নকল প্যাকেজিং; ভুয়া ব্যাচ নম্বর ও এক্সপায়ারি। কার্যকর উপাদান কম থাকা বা পুরোপুরি অনুপস্থিত; কখনও কখনও ক্ষতিকর উপাদান মিশে থাকা। 

অবৈধভাবে পুনঃপ্যাক করা বা মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য পুনর্ব্যবহার। RAB-এর মোবাইল কোর্ট মিটফোর্ড ওষুধ বাজারে নকল ওষুধ জব্দ করে এবং ব্যবসায়ীকে সাজা করা হয়; এটি নিয়মিত উদ্ধার-অভিযানের উদাহরণ। 

Drugs Act, 1940 : 

ওষুধের আমদানি, উৎপাদন, বণ্টন ও বিক্রয়ে বিধি-নিষেধ আরোপ করে; আইন ভঙ্গ করলে জরিমানা ও জেলশাস্তি ধার্য করা হয়। ভ্রান্তিকরভাবে ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ১০ বছর পর্যন্ত জেল এবং টাকার জরিমানা ধার্য করা হয়েছে; সরকার সংশোধনী ও নতুন বিধি প্রণয়ন করেছে যাতে কড়া ব্যবস্থা নেয়া যায়। 

জঅই, জেলা পুলিশ, উএউঅ (Directorate General of Drug Administration) ও কাস্টমস-এর যৌথ অভিযান ও মোবাইল কোর্ট ব্যবস্থা রয়েছে। যার মাধ্যমে জব্দ, মামলা ও জরিমানা করা হয়। উল্লেখ্য, বাস্তবে দণ্ড প্রয়োগে অনিয়ম দেখা গেছে।

কে দায়ী : উৎপাদক (Manufacturer)/ কারখানা: 

যদি উৎপাদন পর্যায়েই নকল/অবৈধ পদ্ধতি থাকে, তারা মূল দায়ী; কঠোর লাইসেন্সিং ও এগচ (Good Manufacturing Practices) লঙ্ঘন করার জন্য দায়ী। 

বণিক/ডিস্ট্রিবিউটর ও হোলসেলার-চেইন: 

অনুমোদনহীন ব্যাচ বাজারে ছাড়লে দায় বহন করে। দোকানদার/ফার্মাসিস্ট: লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ বিক্রি করলে আইনি দায় থাকে। মোবাইল কোর্ট ও স্থানীয় আদালতের রায় আছে। 

নিয়ন্ত্রক সংস্থা (DGDA) ও পরিবেশ-স্বাস্থ্য বিভাগের তদারকি: নিয়মিত অডিট, লাইসেন্স নবায়ন ও বাজার-নিরীক্ষায় দুর্বলতা থাকলে দায় কিছুটা প্রশাসনের উপরও। 

শুল্ক ও সীমান্ত কর্তৃপক্ষ (Customs / BGB): সীমান্ত দিয়ে আগত অবৈধ ইনপুট বা প্রস্তুত পণ্য হাতবদল রোধে ব্যর্থ হলে তাদেরও দায় আছে। 

ব্যবস্থা না  নেয়ার মূল কারণ :

নিয়ন্ত্রক ও প্রযোজ্য সম্পদের অভাব: উএউঅ-র বিশ্লেষণাগার ও পর্যাপ্ত কর্মী-সংখ্যান সীমিত; নজরদারি কম। 

জটিল আইনি প্রক্রিয়া ও প্রমাণ সংগ্রহের সমস্যা: গণনার ব্যাচ-টেস্ট ও ফরেনসিক পরীক্ষার সময় লাগায় মামলা পরিচালনায় দেরি। অভিযুক্তদেরেমধ্যে মামলা ফেলে কার্যকর শাস্তি সীমিত। 

বিস্তৃত গুটিকয়েক হাউজিং-চেইন ও হার্ড-টু-ট্র্যাক চ্যানেল: পুরানো বাজার (যেমন মিটফোর্ড) ও অনলাইন/ইনফরমাল চ্যানেলে ক্রেতা আসে- ট্র্যাক করা কঠিন। 

কখনো-কখনো কর্পোরেট চাপ ও দুর্বল রাজনৈতিক ইচ্ছা: বৃহৎ ব্যবসায়ীদের যৌথ তদ্যোচন বা প্রভাবের