আবহাওয়া অধিদপ্তর (BMD) বলেছে যে, ২২ নভেম্বর সকাল ১০:৩৬:১২-এ একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৩.৩ (রিচার স্কেল)।
উৎপত্তিস্থল (ইপিসেন্টার) ছিল বাইপাইল (Baipayl), যা সাভার/আশুলিয়ায় অবস্থিত।
এটি ছিল গত দিনের বড় ভূমিকম্পের পর একটি “মৃদু কম্পন” বা aftershock হিসেবে ধরা হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে আরও বড় ভূমিকম্প ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে; কারণ বাংলাদেশটি সক্রিয় টেকটোনিক প্লেট এলাকায় অবস্থিত এবং ভূমিকম্প-ঝুঁকি রয়েছে।
আগের দিনের (২১ নভেম্বর) এক ভূমিকম্প ছিল মাত্রা ৫.৭, যা ছিলেন বেশ শক্তিশালী এবং তারই প্রভাব হতে পারে পরবর্তী দিনের কম্পন।
এই ভূমিকম্পে সামান্য ক্ষতি বা বড় ক্ষতি সম্পর্কে বড় রিপোর্টগুলো পাওয়া যায়নি বলে কিছু সংবাদ বলেছে — তবে ইমার্সি ইউনিট ও ফায়ার সার্ভিস কম কিছু “বিল্ডিং অ্যালার্ম”, অল্প আঘাত ও হতাশাজনক কিছু ঘটনা পেয়েছে।