সব সময় সব খানে


বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সিরাজগঞ্জে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

>> হাতিয়া উপজেলা যুবশক্তির পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ফাহিম ফয়সাল

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

আপনি পড়ছেন : ঢাকা

গরমে ঢাবির মুহসীন হলের গণরুম যেন আগুনের চুল্লী


ঢাবি প্রতিনিধি (সাকিব হাসান )

eshomoy.com || 2024-04-30
গরমে ঢাবির মুহসীন হলের গণরুম যেন আগুনের চুল্লী
টিনশেডের গণরুম


তীব্র দাবদাহে যেন সারা দেশ পুড়ছে।তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রিতে উঠে গেছে।কোথাও যেন একটু শান্তি নেই।প্রতিদিন হিট স্ট্রোকের সংখ্যাও বাড়ছে।এমতাবস্থায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনলাইনে ক্লাসের ব্যবস্থা করলেও শিক্ষার্থীদের জন্য খুব একটা সুরাহা মিলছে না।

এই তপ্ত গরমে সবচেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে ঢাবির মুহসীন হলের  টিনশেডের নিচে থাকা  শিক্ষার্থীরা।সকালের সূর্য উঠতেই তাপ পড়ে টিনের চালে। ঘন্টা খানেকের ব্যাবধানে সূর্যের  তাপে রুম গুলো যেন হয়ে উঠে একেকটা আগুনের চুল্লি। আর তার ভেতরে হাঁসপাস করেন শিক্ষার্থীরা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় মুহসীন হলে টিনশেডের রুম রয়েছে ২৮ টি। প্রত্যেক টা রুমেই ফ্যানের ব্যবস্থা থাকলেও শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি শেষ হচ্ছে না। বিশেষ করে গণরুমের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অবস্থা খুব-ই করুণ। একজনের বেডে দুই তিনজন করে গাদাগাদি করে ঘুমাতে হচ্ছে। অনেকেই এই তাপদাহে   হলের মসজিদে নিজের ঘুমের জায়গা করে নিয়েছে। অনেকেই রাতে না ঘুমিয়ে বাহিরে আড্ডা দিয়ে সময় কাটান।

দরকারি জিনিস রাখব কোথায়? ছারপোকার অত্যাচারে মাঝে মাঝে ছাদে গিয়ে ঘুমাতে হয়। পড়াশোনার ন্যূনতম পরিবেশ নেই। ঘুমানোর জায়গা নিয়ে মাঝে মাঝে মারামারি, হাতাহাতি হয়। টিনশেডে মনে হয় আগুন জ্বলছে এভাবেই নিজের মানবেতর জীবনযাপনের বর্ণনা দিচ্ছিলেন হলের ১০১১  নং রুমের এক শিক্ষার্থী।তার সাথে কথা বললে তিনি ই সময়কে জানান গত কয়েকমাস হলো হলে উঠেছি। হলের পরিবেশ এবং সবকিছুর সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিয়েছি। কিন্তু টিনশেডে এই গরমে জীবন দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে। শেষ রাতে একটু ঠান্ডা থাকলেও সকাল হওয়ার সাথে যেন মনে হয় টিনে আগুন লেগে গেছে। দিনের বেলা তাপদাহে ঘুমানো যায়না।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এক জন শিক্ষার্থী বলেন সামনে তার সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই তিনি পড়াশোনায় মন দিতে পারছেন না। সারারাত ঘুম হয়না। তিনি  হলের ছাদে নিজের ঘুমের জায়গা করে নিয়েছেন। এখন পর্যন্ত তাপদাহে হলের বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়েছেন।, এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি নিয়ে জানতে চাইলে মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মাসুদুর রহমান বলেন বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করেছে। পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীদের যেন না না নিয়ে যাওয়া হয় সে বিষয় টাও আমরা নজর রাখছি। শিক্ষার্থীদের সব ধরণের মানসিক সাপোর্ট আমরা দিবো।

এসময় ই- সময়ের এক প্রশ্নের উত্তরকালে তিনি বলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী মুহসীন হলের টিনশেডে ভেঙ্গে বহুতল ভবন করার পরিকল্পনা আছে। সরকার কতৃক সেটি পাশ ও হয়েছে। খুব শীঘ্রই আমরা টিনশেডের জায়গায় বহুতল ভবন নির্মাণের চেষ্টা করবো।