আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা দিয়েই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে।
১৭ জানুয়ারি (সোমবার) একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সাথে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন দলটির সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সেতুমন্ত্রী সংলাপ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ ইসি গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর চলমান সংলাপের শেষভাগে ১৭তম দিনে বঙ্গভবনের যায়।
সংলাপে দশ সদস্যের প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ড. মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব:) মুহাম্মদ ফারুক খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান।
উল্লেখ্য, একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সংলাপে বসতে রাষ্ট্রপতি আওয়ামী লীগসহ মোট ৩২টি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানান। ২০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতি হামিদ জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে চলমান এই সংলাপ শুরু করেন। বাংলাদেশ জাতীয়তবাদী দলসহ মোট সাতটি রাজনৈতিক দল এ সংলাপে অংশ নেয়নি।
বিগত কয়েক মেয়াদে রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন গঠন করেছেন। আসন্ন ১৪ ফেব্রুয়ারি বর্তমান নির্বাচন কমিশনের পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হবে।
নবম, দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।
সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও চারজনের বেশি নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
এই সময়ের মধ্যেই রাষ্ট্রপতি একটি নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন- যার অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।