মিয়ানমারে পাচারের সময় নোয়াখালীর সুবর্ণচরে নৌ-পথে একটি ট্রলারসহ ৩৫০ বস্তা ইউরিয়া সার আটক করে প্রশাসনে সোপর্দ করেছে স্থানীয় লোকজন। খবর পেয়ে পুলিশ, র্যাব ও কৃষি কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সারগুলো জব্দ করে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে এ তথ্য জানান সুবর্ণচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ।
তিনি বলেন, আটককৃত ওই ট্রলারে ৩৫০ থেকে ৪০০ বস্তা ইউরিয়া সার রয়েছে। যা বাইরে পাচারের উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এনে ট্রলারে জড়ো করা হয়েছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সারগুলো জব্দ করে থানা একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাতে মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের সুইজের বরই তোলা এলাকায় জামাল মাঝির ট্রলারে পাচারের সময় সরকারি ৩৫০ বস্তা সার আটক করে স্থানীয় লোকজন। পরে বিষয়টি প্রশাসনকে অবগত করলে পুলিশ ও র্যাব-১১ নোয়াখালী ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সারগুলো জব্দ করে। তবে সেখানে গিয়ে সারের কোন মালিক পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর ধারণা, স্থানীয় কিছু ব্যক্তির যোগসাজশে মিয়ানমারে পাচারের জন্য সারগুলো ট্রলার বোঝাই করা হয়। প্রশাসনের আসার খবর পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়। মিয়ানমারে প্রতি বস্তা সারের মূল্য ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, সারগুলো প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে। সারের মালিকানা দাবি করে এখনও কেউ আসেনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।