সব সময় সব খানে


বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬

১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সব সময় সব খানে!
বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
**সদ্যপ্রাপ্ত

>> মানুষের কল্যাণে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান লালমনিরহাট যুবদল নেতাদের

>> ভাঙ্গায় সাবেক চেয়ারম্যান লাভলুর অভিযোগের প্রতিবাদে প্রবাসী মিঠুর সংবাদ সম্মেলন

>> পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি, সভাপতি রাকিব, সম্পাদক সোহাগ

>> মানুষের দোরগোড়ায় ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা পৌঁছানোর উদ্যোগ পূবালী ব্যাংকের

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির।

>> গণশৌচাগার সংকটে লালমনিরহাট শহর, দুর্ভোগে নারী- শিশু-বয়স্করা

>> ভজনপুর বাজার বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি জুনায়েদ, সম্পাদক জমির

>> শিক্ষকদের সম্মিলিতস্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> শিক্ষকদের সম্মিলিত স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: বাদাশিকস কেন্দ্রীয় সভাপতি মুফতি জয়নুল আবেদীন

>> প্রিপেইড মিটার বাতিলসহ চার দফা দাবিতে রংপুরে ৩০ নভেম্বর অর্ধদিবস হরতাল

আপনি পড়ছেন : বিচিত্রা

লা নিনায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা


মোঃ মামুন, ডেস্ক রিপোর্ট

eshomoy.com || 2025-09-02
লা নিনায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকবে বৈশ্বিক তাপমাত্রা
অস্ট্রেলিয়ায় সিডনির উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল,ফাইল ছবি

ডব্লিউএমও জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরের বিষুবীয় অঞ্চলে সাগরপৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমে লা নিনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ৫৫ শতাংশ। আর আগামী অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে লা নিনা পরিস্থিতি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৬০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এ সময় উষ্ণতা বৃদ্ধিকারী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

জলবায়ু চক্রের পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের ধারায় আবহাওয়া শীতলকারী ‘লা নিনা’ ফিরছে সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে। এর মধ্যেও বৈশ্বিক তাপমাত্রা স্বাভাবিক গড়ের চেয়ে বেশি থাকবে বলে আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ।

লা নিনা হলো একটি স্বাভাবিক জলবায়ুগত ঘটনা। এর প্রভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের মধ্য ও পূর্ব বিষুবীয় অঞ্চলের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমে যায়। পরিবর্তন আসে বাতাস, চাপ ও বৃষ্টিপাতের ধরনে। এটি হলো এল নিনোর বিপরীত, যেটি বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বড় অনুঘটকের কাজ করে। জলবায়ু চক্রের এ পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের মধ্যখানে কিছু সময় নিরপেক্ষ অবস্থা বিরাজ করতে দেখা যায়। জাতিসংঘের বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, দুর্বল লা নিনা পরিস্থিতির পর গত মার্চ মাস থেকে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য নিরপেক্ষ অবস্থা বিরাজমান রয়েছে।

ডব্লিউএমও জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে প্রশান্ত মহাসাগরের বিষুবীয় অঞ্চলে সাগরপৃষ্ঠের তাপমাত্রা কমে লা নিনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ৫৫ শতাংশ। আর আগামী অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে লা নিনা পরিস্থিতি দেখা দেয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৬০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এ সময় উষ্ণতা বৃদ্ধিকারী এল নিনো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

সংস্থাটির সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে আরো বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বরের মধ্যে উত্তর গোলার্ধের অধিকাংশ অঞ্চল এবং দক্ষিণ গোলার্ধের বড় অংশে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি তাপমাত্রা থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

অনেক এলাকায়, বিশেষ করে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের জলবায়ুতে লা নিনার প্রভাব থাকে এল নিনোর বিপরীত। এল নিনো সমুদ্রের পৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে তোলে, যার ফলে বিশ্বের কোনো কোনো অংশে খরা দেখা দেয়। আবার অন্যান্য স্থানে তীব্র বৃষ্টিপাত দেখা দেয়।

২০২০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে লা নিনা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক রকমের দীর্ঘায়িত হতে দেখা গেছে। এর প্রভাবে সে সময় দেশে দেশে তীব্র খরা ও বন্যা— উভয়ই দেখা গেছে। তবে শীতলীকরণ প্রভাব সত্ত্বেও লা নিনা একের পর এক অস্বাভাবিক গরমের বছরকে ঠেকাতে পারেনি। গত ১০ বছরই ছিল ইতিহাসে রেকর্ডকৃত উষ্ণতম ১০ বছর।

গত বছর এল নিনো পরিস্থিতি শেষ হয়ে যাওয়ার পরও বৈশ্বিক তাপমাত্রা রেকর্ড বা রেকর্ডের কাছাকাছি পর্যায়ে থেকে গেছে। আর ২০২৪ সাল চিহ্নিত হয়েছে ইতিহাসের উষ্ণতম বছর হিসেবে।

ডব্লিউএমও জোর দিয়ে বলেছে, লা নিনা ও এল নিনোর মতো